সবর ও শোকর : পথ ও পাথেয় : ইবনে কাইয়িম জাওজিয়া (রহি.)
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক: দুনিয়ার স্বরূপ ও প্রকৃতি মানুষের মোট তিনটি অবস্থা: ১. সৃষ্টিপূর্ব অবস্থা—তখন মানুষ কিছুই ছিল না।
২. মৃত্যুর পর থেকে অনন্ত জীবন—দেহত্যাগ করে মানুষ অনন্ত জীবনে প্রবেশ
করে। এখানে সে জান্নাতি হয়, নয় তো জাহান্নামী হয়। তাকে আবার শরীরে ফিরিয়ে
দেয়া হয় এবং সে তার আমলের প্রতিদান লাভ করে।
৩. এই দুইয়ের মধ্যবর্তী অবস্থা। এটি হল তার দুনিয়ার জিন্দেগি। এবার এর ব্যাপ্তি নিয়ে ভাবুন। বাকি দুই অবস্থার ব্যাপ্তির সঙ্গে তুলনা করে দেখুন—আপনার মনে হবে পার্থিব এই জীবন এক পলকের চেয়েও কম।
যে ব্যক্তি এই দৃষ্টিভঙ্গিতে দুনিয়াকে দেখবে, সে কখনও দুনিয়ার উপর আস্থা রাখবে না; সে কখনও পরোয়া করবে না, পৃথিবীতে তার দিনগুলো কেমন কাটছে—দুঃখ-দুর্দশায়, না সুখে-সাচ্ছন্দ্যে!
তাই রাসুলুল্লাহ স. ইটের উপর ইট রাখেনি, আসবাবপত্র দিয়ে ঘর সাজাননি। তিনি বলেন:
مَا لِي وَلِلدُّنْيَا ما أنا فى الدُّنْيَا إلّا كَرَاكِبٍ استظل تحت شَجَرَةٍ ثُمَّ رَاحَ وَتَرَكَهَا
“আমার সাথে দুনিয়ার কী সম্পর্ক! আমি তো দুনিয়ায় সে আরোহীর মত, যে বৃক্ষের ছায়ায় আরামে বিশ্রাম নেয়—তারপর চলে যায়।” (তিরমিজি: ২৩৭৭)
তিনি আরও বলেন:
مَا الدُّنْيَا في الآخِرَةِ إلا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ أُصْبُعَهُ في اليَمِّ ، فَلْيَنْظُرْ بِمَ يَرْجِعُ
“সমুদ্রের পানিতে আঙ্গুল ডুবিয়ে তুলে আন—দেখ কতুটুক পানি আঙ্গুলে লেগে আছে? আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া অতটুকু, এই বিশাল সাগরের তুলনায় আঙ্গুলের পানি যতটুকু।” (মুসলিম: ২৮৫৮)
এদিকে ইশারা করে হযরত ঈসা আ. বলেন:
الدنيا قنطرة فاعبروها ولا تعمروها
“দুনিয়া হল সাঁকো। সুতরাং তোমরা এটি পেরিয়ে যাও, আবাদ করতে লেগে যেয়ো না।”
এই উপমাটি যথার্থ। দুনিয়া আখিরাতে পদার্পণের সাঁকো। এটি দোলনা থেকে শুরু হয়ে কবর পর্যন্ত দীর্ঘ। কেউ সাঁকোর অর্ধেক পেরিয়ে এসেছে, কেউ-বা দুই-তৃতীয়াংশ। কারও একটি মাত্র কদম বাকি আছে। কিন্তু মানুষ বড়ই গাফেল। যেভাবেই হোক তাকে এই সাঁকো পাড়ি দিতে হয়। যে ব্যক্তি সাঁকোতে দালান নির্মাণ ও সাজসজ্জায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে, সে বড়ই মূর্খ, বড়ই আহমক।
-
● বইয়ের নাম : সবর ও শোকর : পথ ও
পাথেয়
● মূল লেখক : ইবনে কাইয়িম জাওজিয়া
(রহি.)
● অনুবাদ : আমীমুল ইহসান
● সম্পাদনা : মুফতি তারেকুজ্জামান
● প্রকাশক : মুফতি ইউনুস মাহবুব
● প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
● প্রচ্ছেদ মূল্য : ৮২০ টাকা (৩০% ছাড়ে বিক্রয় মূল্য : ৫৭৫ টাকা)
● পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৬৪০
৩. এই দুইয়ের মধ্যবর্তী অবস্থা। এটি হল তার দুনিয়ার জিন্দেগি। এবার এর ব্যাপ্তি নিয়ে ভাবুন। বাকি দুই অবস্থার ব্যাপ্তির সঙ্গে তুলনা করে দেখুন—আপনার মনে হবে পার্থিব এই জীবন এক পলকের চেয়েও কম।
যে ব্যক্তি এই দৃষ্টিভঙ্গিতে দুনিয়াকে দেখবে, সে কখনও দুনিয়ার উপর আস্থা রাখবে না; সে কখনও পরোয়া করবে না, পৃথিবীতে তার দিনগুলো কেমন কাটছে—দুঃখ-দুর্দশায়, না সুখে-সাচ্ছন্দ্যে!
তাই রাসুলুল্লাহ স. ইটের উপর ইট রাখেনি, আসবাবপত্র দিয়ে ঘর সাজাননি। তিনি বলেন:
مَا لِي وَلِلدُّنْيَا ما أنا فى الدُّنْيَا إلّا كَرَاكِبٍ استظل تحت شَجَرَةٍ ثُمَّ رَاحَ وَتَرَكَهَا
“আমার সাথে দুনিয়ার কী সম্পর্ক! আমি তো দুনিয়ায় সে আরোহীর মত, যে বৃক্ষের ছায়ায় আরামে বিশ্রাম নেয়—তারপর চলে যায়।” (তিরমিজি: ২৩৭৭)
তিনি আরও বলেন:
مَا الدُّنْيَا في الآخِرَةِ إلا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ أُصْبُعَهُ في اليَمِّ ، فَلْيَنْظُرْ بِمَ يَرْجِعُ
“সমুদ্রের পানিতে আঙ্গুল ডুবিয়ে তুলে আন—দেখ কতুটুক পানি আঙ্গুলে লেগে আছে? আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া অতটুকু, এই বিশাল সাগরের তুলনায় আঙ্গুলের পানি যতটুকু।” (মুসলিম: ২৮৫৮)
এদিকে ইশারা করে হযরত ঈসা আ. বলেন:
الدنيا قنطرة فاعبروها ولا تعمروها
“দুনিয়া হল সাঁকো। সুতরাং তোমরা এটি পেরিয়ে যাও, আবাদ করতে লেগে যেয়ো না।”
এই উপমাটি যথার্থ। দুনিয়া আখিরাতে পদার্পণের সাঁকো। এটি দোলনা থেকে শুরু হয়ে কবর পর্যন্ত দীর্ঘ। কেউ সাঁকোর অর্ধেক পেরিয়ে এসেছে, কেউ-বা দুই-তৃতীয়াংশ। কারও একটি মাত্র কদম বাকি আছে। কিন্তু মানুষ বড়ই গাফেল। যেভাবেই হোক তাকে এই সাঁকো পাড়ি দিতে হয়। যে ব্যক্তি সাঁকোতে দালান নির্মাণ ও সাজসজ্জায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে, সে বড়ই মূর্খ, বড়ই আহমক।
-
● বইয়ের নাম : সবর ও শোকর : পথ ও
পাথেয়
● মূল লেখক : ইবনে কাইয়িম জাওজিয়া
(রহি.)
● অনুবাদ : আমীমুল ইহসান
● সম্পাদনা : মুফতি তারেকুজ্জামান
● প্রকাশক : মুফতি ইউনুস মাহবুব
● প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
● প্রচ্ছেদ মূল্য : ৮২০ টাকা (৩০% ছাড়ে বিক্রয় মূল্য : ৫৭৫ টাকা)
● পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৬৪০

কোন মন্তব্য নেই