Header Ads

Header ADS

আন্দালুসের ইতিহাস : ড. রাগিব সারজানি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক:

আন্দালুসের ইতিহাস


                                                                      ইতিহাসের শিক্ষা

ইতিহাসকে জাতির দর্পণ বলে আখ্যা দেওয়া হয়। ইতিহাসের মাধ্যমে মানুষ জানতে পারে অতীতের সাফল্য ও ব্যর্থতার ইতিকথা। ইতিহাসের মাধ্যমেই মানুষ বাস্তব জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত হতে পারে এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে সহায়তা লাভ করতে পারে।


ইতিহাসের জ্ঞান ব্যক্তির স্মৃতি এবং চিন্তাকে প্রখর করার পাশাপাশি বিভিন্ন ঘটনা বিশ্লেষণে বিচারশক্তি প্রয়োগে দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করে। ইতিহাস পাঠের আরো গুরুত্বপূর্ণ অবদান হল এমন দায়িত্ববোধসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তোলা যারা হবে খোদাভীরু এবং দেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের চেতনায় বলীয়ান।
প্রকৃত ইতিহাস-চেতনা ব্যতীত যেমন বর্তমানকে উপলব্ধি করা যায় না, তেমনি ভবিষ্যতকেও বিনির্মাণ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। তাই বর্তমানের বিভিন্ন সমস্যাকে অতীতের প্রেক্ষাপটে বিচার করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করলে অনেক ক্ষেত্রেই তা ফলপ্রসূ হতে পারে।

কেন এই আন্দালুসের ইতিহাস?

আল্লাহ তাআলার শাশ্বত বিধান হচ্ছে তিনি জাতি-বর্ণ ও গোষ্ঠীভেদে তাদের কৃতকর্মের কারণে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন করে থাকেন। একসময় যে জাতি থাকে প্রচুর ক্ষমতাধর, ধীরে ধীরে সে জাতি হয়ে পড়ে দুর্বল; আবার পরবর্তীতে একসময় সে জাতি হয়ে ওঠে সবল ও শক্তিশালী। আর এ বিধান মুসলিম-অমুসলিম সকলের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। ইতিহাসে বড় অদ্ভুতভাবে ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে; যদিও তার নাম ও ধরন ভিন্ন হয়। তাই তো দেখা যায়, আমরা যখন হাজার বছরের পুরনো কোন ইতিহাস পাঠ করি, তখন এমন অনুভূত হয় যে, এই একই ঘটনা যেন এ যুগেই ঘটতে যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে অতীতের ইতিহাস শুধু অতীত নয়, ভবিষ্যতেরও ইতিহাস!
আন্দালুসের ইতিহাস আট শ’ বছরের গৌরবজ্জ্বল এক ইতিহাস। ইতিহাসের এই বীরত্বগাথা অধ্যায়ে মহান আল্লাহ তাআলার এ বিধানটি এতটা সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা অন্য কোন ইতিহাসের ক্ষেত্রে হয়নি। আন্দালুস ইতিহাসের প্রথম দিকটা ছিল গৌরবময় উত্থান ও জ্ঞানচর্চার উচ্চ শিখরে আরোহণের, আর শেষ দিকটা ছিল বেদনাবিধুর পতনের। অবশ্য একে পতন বলা যায় না, বলতে হবে পুনরুত্থানের প্রস্তুতি, প্রেরণা ও শিক্ষাগ্রহণ পর্ব।

আন্দালুসের এই দীর্ঘ ইতিহাস পরিক্রমায় অনেক ঘটনাই ঘটেছে; যার কিয়দাংশ তো ইতিহাসের পাতায় স্থান পেয়েছে, কিছু অংশ দুর্ভাগ্যক্রমে আলোচনায় আসেনি। যতটুকু ইতিহাসে স্থান পেয়েছে, তাও আবার সত্য-বিদ্বেষী ও কুচক্রীরা তা বিকৃত করে উপস্থাপন করেছে। সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে আর মিথ্যাকে সত্যের প্রলেপ দিয়ে কাল্পনিক ও অবাস্তব ইতিহাস তৈরি করেছে।

আরবী ইতিহাসের বিদগ্ধ লেখক ড. রাগিব সারজানি বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিতে ইতিহাসের পাতা থেকে বিস্মৃতপ্রায় আন্দালুসের ইতিহাসকে যৌক্তিক আলোচনার মাধ্যমে সত্যিকার স্বরূপে তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন।

“আন্দালুসের ইতিহাস“ বই বিষয়ক দারুল উলূম মাদানীনগর মাদরাসার আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রাজ্ঞ শিক্ষক মুফতী ফারুকুযযামান দা.বা. এর কিছু কথা ......

বই
আন্দালুসের ইতিহাস
লেখক ড. রাগিব সারজানি
অনুবাদ- আবু মুসআব ওসমান
প্রকাশনায়- Maktabatul Hasan
পৃষ্টা সংখ্যা- ১০০০
বাঁধাই ধরন- হার্ড ব্যাক
মূদ্রিত মূল্য- ১২০০

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.