রুকইয়াহ শারইয়াহ (নতুন সংস্করন) : আমিন বিন বারী
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক: ইসলামই একমাত্র আল্লাহ্ সুবহানু অতায়ালার কাছে গ্রহণযোগ্য ধর্ম, এবং
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনিত শরীয়াহই একমাত্র পুর্নাঙ্গ
জীবনব্যব্যস্থা। এ জীবনব্যব্যস্থায় এমন কোন দিক নেই যেখানে ইসলাম আমাদেরকে
আদেশ নিষেধ বা দিকনির্দেশনা দেয়নি।
জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিটি বিষয়ে ইসলাম আমাদের যেমন পথের সন্ধান দিয়েছে তেমনি পাথেয়ও দিয়েছে। মুসলিমরাও তাদের যেকোন সমস্যা সমাধানে সে পাথেয় গ্রহণ করে পূর্নাঙ্গ সমাধান পেয়েছেন। কিন্তু যখন থেকেই মুসলিমরা কোন প্রয়োজনে বা মুসিবতে এপথ (কুরআন সুন্নাহর পথ) পরিত্যাগ করে, সমাধানের জন্য মানুষের দ্বারে অর্থাৎ মাজার-দরগাহ পির-দরবেশদের কাছে ধর্না দিয়েছে ও প্রতিকার ও সমাধান খুঁজতে শুরু করেছেন। ঠিক তখন থেকেই তাদের ঘাড়ে জিল্লতি ও দূর্গতি চেপে বসেছে। তখন থেকেই ভণ্ড ও চতূর ওঝা দরবেশরা নড়েচড়ে বসেছে এবং সরলমনা মানুষদের জিম্মি করে অর্থনৈতিক সিন্ডিকেট তৈরি করে তাদের আখের গুছানোর কাজে মনোনিবেশ করেছে। অন্যদিকে তাদের কাছে গিয়ে সাধারন মানুষের ঈমান আমাল সব খোয়াতে হচ্ছে। একটি প্রবাদ আছে, “ ওষুধ আরোগ্যের জন্য ব্যবহার করা হলো, সেটাই রোগের কারণ। আবার দুচারজন ব্যক্তি যারা কুরআনি চিকিৎসার শরণাপন্ন হন তারা আবার, সঠিক ইলম না থাকার কারণে টুপি দাড়ি, বা লেবাস পোশাক দেখেই বিভ্রান্ত হয়ে যাকে তাকে বড় হুযুর মনে করে তার থেকে ট্রিটমেন্ট নেন, যাতে করে তারাও ভণ্ড প্রতারকের খপ্পরে পড়ে ঐ ধরনের প্রবঞ্চনার স্বীকার হন। যা আমরা মাঝে মাঝে পত্রিকার পাতা ওল্টালেই দেখি।
আলোচ্য বিষয়ঃ জিনের আছর, বদনজর, যাদু করা, বান মারা, এসবের প্রতিকার ও চিকিৎসায় কী করনীয়? কাউকে জিনে আছর করলে বা উল্লেখিত কোন সমস্যায় পতিত হলে করণীয় কী? সাথে সাথে আক্রান্ত কাউকে যদি ভণ্ড ওঝা ফকিরদের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, তাতে যদি হিতে বিপরীত হয় তখন কী করণীয়? কাউকে বান মারা হয়েছে এখন এর থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কী? কোন নারীর বিশেষ কোন কারণে বিয়ে হয়না এর প্রতিকার কী? মহিলাদের গোপনীয় সমস্যা সমাধানে করনীয় কী? যৌন সমস্যা সমাধানে কুরআন সুন্নাহর কী কোন চিকিৎসা আছে? বাড়িতে জিনের উপদ্রব হলে এর থেকে রেহাই পেতে করণীয় কী? ছেলেমেয়েরা কোনো কারণ ছাড়াই দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে বা শারীরিক অবনতি ঘটছে, মাদকাসক্তি পর্ণাসক্তিতে লিপ্ত কারণটা কী? প্রতিকার কী? রাতে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় নানারকমের ভয়ংকর জিনিষ স্বপ্ন দেখি কেন দেখি? এতে করণীয় কী? আপনার যুবক ছেলেটি বা যুবতি মেয়েটি দিনে দিনে কি রকম খিটখিটে বদমেজাঝের হয়ে যাচ্ছে কেন এরকম হচ্ছে? এরকম আরো শতাধিক বিষয়ে শরয়ী আলোকে বইটিতে সমাধান রয়েছে।
যে কারণে এ বইটি ভালোলাগাঃ ভণ্ড ওঝা-কবিরাজ কতৃক তাবিজ-কবজ, ফুফাক্কার, রাশিগোনা, শনিরাহু, হাতগণনা সহ হাজারো ভণ্ডামিতে টইটুম্বর আমাদের এই সমাজ। এ বইটি যদি প্রচারে সমৃদ্ধ হয়, তবে এটা ভণ্ড ওঝা দরবেশ, জ্যোতিষ যাদুকরদের,ব্যবসায় পুরোপুরি লালবাতি জালাবে ইনশাআল্লাহ্।
বইটি সম্পর্কে: বইটি আটটি অধ্যায়ে বিন্যাস করা হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে, রুকইয়াহ শরিয়াহ্ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে, এ অধ্যায়ে সর্বমোট দশটি শিরোনামে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করা হয়েছে। ২য় অধ্যায়ে, সম্প্রতি যারা রুকইয়াহ চিকিৎসা নিয়ে সফল হয়েছেন, তাদের থেকে কিছু সফল অভিজ্ঞতার কথা বর্ননা করা হয়েছে। ৩য় অধ্যায়ে, ভ্রান্ত তাবিজ-কবজ সম্পর্কে দশটি শিরোনামে দলিলভিত্তিক আলোচনা করা হয়েছে, রয়েছে আলিমদের উদ্দেশ্যে করে একটি ছোট নিবন্ধ। ৪র্থ অধ্যায়ে, রয়েছে বদনজর সম্পর্কে আলোচনা, বাচ্চাদের বড়দের, মেয়েদের পুরুষদের সহ জিনের বদনজর কীভাবে লাগে ও তার প্রতিকার কীভাবে তা এই অধ্যায়ে বর্ননা করা হয়েছে। ৫ম অধ্যায়ে, জিন ও জিন কেন্দ্রিক অসুস্থতা সম্পর্কে ২৯টি শিরোনামে খোলাখুলি আলোচনা করা হয়েছে, জিনের আছর থেকে শুরু করে যত প্রকার জিন আছে তা তাড়ানোর টিপস ও জিনের উপদ্রব থেকে বেঁচে থাকা সহ জিনের পোচমর্টেম রিপোর্ট বের করা হয়েছে। ৬ষ্ঠ অধ্যায়, এটি এ বইয়ের সর্ববৃহৎ অধ্যায়। ৬৪টি শিরোনামে লেখা এ অধ্যায়টি যাদু ও যাদুর বাস্তবতা নিয়ে সামগ্রিক বিষয়ে দলিলভিত্তিক আলোচনা হয়েছে। ৭ম অধ্যায়ে, ওয়াসওয়াসা, রোগ প্রতিকার সহ আনুষঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়েছে। ৮ম অধ্যায়ে, স্বপ্ন ও স্বপ্নকেন্দ্রিক বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এ বইটি সংগ্রহে থাকলে আলাদা আর আপনাকে স্বপ্ন বিষয়ক কোন কিছুর জন্য কারো কাছে যেতে হবেনা বা এবিষয়ে আলাদা কোন বই কিনতে হবে না। ৯ম অধ্যায়ে রয়েছে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রাত্যহিক আমালিয়াতের একটি ছোটখাট ভাণ্ডার। যাতে করে অন্য আমালের বই না হলেও চলবে। সর্বশেষ গ্রন্থসহায়িকা সংযোজিত। একটি বিশেষ বিষয় হলো, প্রত্যেকটি বিষয়ের দালিলিক আরবি ইবারত ফুটনোটে সংযোজন যা এ বিষয়ের অনান্য বইতে চোখে পড়ে না।
মোটকথা : দালিলিক বিচারে এটি একটি অদ্বিতীয় এবং অসাধারণ গ্রন্থ।
জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিটি বিষয়ে ইসলাম আমাদের যেমন পথের সন্ধান দিয়েছে তেমনি পাথেয়ও দিয়েছে। মুসলিমরাও তাদের যেকোন সমস্যা সমাধানে সে পাথেয় গ্রহণ করে পূর্নাঙ্গ সমাধান পেয়েছেন। কিন্তু যখন থেকেই মুসলিমরা কোন প্রয়োজনে বা মুসিবতে এপথ (কুরআন সুন্নাহর পথ) পরিত্যাগ করে, সমাধানের জন্য মানুষের দ্বারে অর্থাৎ মাজার-দরগাহ পির-দরবেশদের কাছে ধর্না দিয়েছে ও প্রতিকার ও সমাধান খুঁজতে শুরু করেছেন। ঠিক তখন থেকেই তাদের ঘাড়ে জিল্লতি ও দূর্গতি চেপে বসেছে। তখন থেকেই ভণ্ড ও চতূর ওঝা দরবেশরা নড়েচড়ে বসেছে এবং সরলমনা মানুষদের জিম্মি করে অর্থনৈতিক সিন্ডিকেট তৈরি করে তাদের আখের গুছানোর কাজে মনোনিবেশ করেছে। অন্যদিকে তাদের কাছে গিয়ে সাধারন মানুষের ঈমান আমাল সব খোয়াতে হচ্ছে। একটি প্রবাদ আছে, “ ওষুধ আরোগ্যের জন্য ব্যবহার করা হলো, সেটাই রোগের কারণ। আবার দুচারজন ব্যক্তি যারা কুরআনি চিকিৎসার শরণাপন্ন হন তারা আবার, সঠিক ইলম না থাকার কারণে টুপি দাড়ি, বা লেবাস পোশাক দেখেই বিভ্রান্ত হয়ে যাকে তাকে বড় হুযুর মনে করে তার থেকে ট্রিটমেন্ট নেন, যাতে করে তারাও ভণ্ড প্রতারকের খপ্পরে পড়ে ঐ ধরনের প্রবঞ্চনার স্বীকার হন। যা আমরা মাঝে মাঝে পত্রিকার পাতা ওল্টালেই দেখি।
আলোচ্য বিষয়ঃ জিনের আছর, বদনজর, যাদু করা, বান মারা, এসবের প্রতিকার ও চিকিৎসায় কী করনীয়? কাউকে জিনে আছর করলে বা উল্লেখিত কোন সমস্যায় পতিত হলে করণীয় কী? সাথে সাথে আক্রান্ত কাউকে যদি ভণ্ড ওঝা ফকিরদের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, তাতে যদি হিতে বিপরীত হয় তখন কী করণীয়? কাউকে বান মারা হয়েছে এখন এর থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কী? কোন নারীর বিশেষ কোন কারণে বিয়ে হয়না এর প্রতিকার কী? মহিলাদের গোপনীয় সমস্যা সমাধানে করনীয় কী? যৌন সমস্যা সমাধানে কুরআন সুন্নাহর কী কোন চিকিৎসা আছে? বাড়িতে জিনের উপদ্রব হলে এর থেকে রেহাই পেতে করণীয় কী? ছেলেমেয়েরা কোনো কারণ ছাড়াই দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে বা শারীরিক অবনতি ঘটছে, মাদকাসক্তি পর্ণাসক্তিতে লিপ্ত কারণটা কী? প্রতিকার কী? রাতে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় নানারকমের ভয়ংকর জিনিষ স্বপ্ন দেখি কেন দেখি? এতে করণীয় কী? আপনার যুবক ছেলেটি বা যুবতি মেয়েটি দিনে দিনে কি রকম খিটখিটে বদমেজাঝের হয়ে যাচ্ছে কেন এরকম হচ্ছে? এরকম আরো শতাধিক বিষয়ে শরয়ী আলোকে বইটিতে সমাধান রয়েছে।
যে কারণে এ বইটি ভালোলাগাঃ ভণ্ড ওঝা-কবিরাজ কতৃক তাবিজ-কবজ, ফুফাক্কার, রাশিগোনা, শনিরাহু, হাতগণনা সহ হাজারো ভণ্ডামিতে টইটুম্বর আমাদের এই সমাজ। এ বইটি যদি প্রচারে সমৃদ্ধ হয়, তবে এটা ভণ্ড ওঝা দরবেশ, জ্যোতিষ যাদুকরদের,ব্যবসায় পুরোপুরি লালবাতি জালাবে ইনশাআল্লাহ্।
বইটি সম্পর্কে: বইটি আটটি অধ্যায়ে বিন্যাস করা হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে, রুকইয়াহ শরিয়াহ্ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে, এ অধ্যায়ে সর্বমোট দশটি শিরোনামে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করা হয়েছে। ২য় অধ্যায়ে, সম্প্রতি যারা রুকইয়াহ চিকিৎসা নিয়ে সফল হয়েছেন, তাদের থেকে কিছু সফল অভিজ্ঞতার কথা বর্ননা করা হয়েছে। ৩য় অধ্যায়ে, ভ্রান্ত তাবিজ-কবজ সম্পর্কে দশটি শিরোনামে দলিলভিত্তিক আলোচনা করা হয়েছে, রয়েছে আলিমদের উদ্দেশ্যে করে একটি ছোট নিবন্ধ। ৪র্থ অধ্যায়ে, রয়েছে বদনজর সম্পর্কে আলোচনা, বাচ্চাদের বড়দের, মেয়েদের পুরুষদের সহ জিনের বদনজর কীভাবে লাগে ও তার প্রতিকার কীভাবে তা এই অধ্যায়ে বর্ননা করা হয়েছে। ৫ম অধ্যায়ে, জিন ও জিন কেন্দ্রিক অসুস্থতা সম্পর্কে ২৯টি শিরোনামে খোলাখুলি আলোচনা করা হয়েছে, জিনের আছর থেকে শুরু করে যত প্রকার জিন আছে তা তাড়ানোর টিপস ও জিনের উপদ্রব থেকে বেঁচে থাকা সহ জিনের পোচমর্টেম রিপোর্ট বের করা হয়েছে। ৬ষ্ঠ অধ্যায়, এটি এ বইয়ের সর্ববৃহৎ অধ্যায়। ৬৪টি শিরোনামে লেখা এ অধ্যায়টি যাদু ও যাদুর বাস্তবতা নিয়ে সামগ্রিক বিষয়ে দলিলভিত্তিক আলোচনা হয়েছে। ৭ম অধ্যায়ে, ওয়াসওয়াসা, রোগ প্রতিকার সহ আনুষঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়েছে। ৮ম অধ্যায়ে, স্বপ্ন ও স্বপ্নকেন্দ্রিক বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এ বইটি সংগ্রহে থাকলে আলাদা আর আপনাকে স্বপ্ন বিষয়ক কোন কিছুর জন্য কারো কাছে যেতে হবেনা বা এবিষয়ে আলাদা কোন বই কিনতে হবে না। ৯ম অধ্যায়ে রয়েছে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রাত্যহিক আমালিয়াতের একটি ছোটখাট ভাণ্ডার। যাতে করে অন্য আমালের বই না হলেও চলবে। সর্বশেষ গ্রন্থসহায়িকা সংযোজিত। একটি বিশেষ বিষয় হলো, প্রত্যেকটি বিষয়ের দালিলিক আরবি ইবারত ফুটনোটে সংযোজন যা এ বিষয়ের অনান্য বইতে চোখে পড়ে না।
মোটকথা : দালিলিক বিচারে এটি একটি অদ্বিতীয় এবং অসাধারণ গ্রন্থ।
রুকইয়াহ শারইয়াহ (নতুন সংস্করন)
আমিন বিন বারী
মুদ্রিত মূল: ৪৬০ টাকা
প্রকাশনায়: মাকতাবাতুল ফুরসান
আমিন বিন বারী
মুদ্রিত মূল: ৪৬০ টাকা
প্রকাশনায়: মাকতাবাতুল ফুরসান

কোন মন্তব্য নেই