ক্যাসিনোর জালে আমরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আবদ্ধ
এম.এন.সাকিব
ভূঁইয়া: ক্লাব পড়ার পরপর অনলাইনে ক্যাসিনোর রঙ্গমঞ্চ উঠে
এল। প্রতি রাতে এখানে চলে লক্ষ্য কোটির টাকার
রমরমা খেলা।রাজ্যর ধনী হয় ফকির, ফকির হয় ধনী। আসলে কতটুকু সত্য তা কী জনসাধারণ জানে।
রাজ্যর ধনী যে ফকির সেটা গণমাধ্যামের কল্যাণে জানা-শোনার লাইনটা ব্যাপক দীর্ঘ কিন্তু
ফকির ধনী তা কী কোনো উদাহরণ দেখিয়েছে তাঁরা কেউ। উত্তর নিঃসন্দেহে ‘না’ বোধক।
বর্তমানে ক্যাসিনো বা জুয়া শুধু ক্লাব বা অনলাইনে নির্দিষ্ট
সাইটে সীমাবদ্ধ তা কিন্তু নয়। হাটে-ঘাটে, স্কুল-কলেজে সর্বত্রে ব্যাপক বিস্তার লাভ
করেছে। আজকাল ক্রিকেট,ফুটবল বা কোনো বিষয়ের প্রতি দুপক্ষ চ্যালেঞ্জ স্বরূপ বাজি বা
বেট নামক ভয়ঙ্কর জুয়ার পেশায় মত্ত হচ্ছি নিজের অজান্তে। এর ফলে পরিনাম হচ্ছে হত্যা
রাহাজারি বা স্বর্বসান্ত। বিশেষ করে দেশ-বিদেশের বিশ্ব কাপ বা বিশেষ খেলাধুলোর মৌসুমে
গণমাধ্যমে উঠে আসে বেট বা বাজি নামে সর্বনাশা জুয়ার বলি হওয়া চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিগত
দু কিংবা এক দশক পূর্বে এর আকার এত মহামারি ছিল না মুসলিম প্রধান বাংলাদেশে।
এক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে যারা, বেট বাজি নামক জুয়ার সাথে সম্পৃক্ত
প্রত্যেকেই ধর্মীয় জ্ঞানশূন্য ও এ ব্যাপারে উদাসীন যার ফলে ব্যাপক থেকে ব্যাপকতর অগ্রসর
হচ্ছে রাক্ষসে জুয়ার আর্বিভাব। আর এর সাথে সংশ্লিষ্ট পরিবার গুলো সামাজিক ভাবে নানা
ধরণের বিরুপ প্রভাবের শিকার হচ্ছে। ফলে এর থেকে পরিত্রান কতটা জরুরি প্রয়োজন তা রাব্বুল
আলামীন বলেন, মনে রেখো শয়তান মদ্যপান ও জুয়া খেলার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে
চরম শত্রুতা ও হিংসা বিদ্বেষ সৃষ্টির কাজে সদা সচেষ্ট। সে তোমাদের আল্লাহর স্মরণ ও
নামাজ থেকে বিরত রাখতে চায়। তাহলে তোমরা কি এ কাজ (আল্লাহর স্মরণ ও নামাজ) থেকে বিরত
থাকবে।(সূরা মায়িদা : ৯১)

কোন মন্তব্য নেই