Header Ads

Header ADS

কবি গোলাম মোস্তফার ৫৫তম মৃত্যু বার্ষিকী

কবি গোলাম মোস্তফার ৫৫তম মৃত্যু বার্ষিকী


এম.এন.সাকিব ভূইয়া:
বরেণ্য সাহিত্যিক কবি গোলাম মোস্তফার জন্ম ১৮৯৭ সালে যশোর জেলার গ্রামে। তাঁর পিতা কাজী গোলাম রব্বানী।তিনি ১৯১৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ থেকে বি. এ পাশ করেন।

১৯২০ সালে কলকাতার ব্যারাকপুর সরকারি হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে গোলাম মোস্তফার শিক্ষকতা শিক্ষ হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ত্রিশ বছর শিক্ষতা করেন ।১৯৫০ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।
মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকার মাধ্যমে তিনি সাহিত্যে পদাপর্ণ করেন।
তাঁর প্রথম কাব্য গ্রন্থ ‘রক্ত রাগ’(১৯২৪) প্রকাশিত হলে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতার মাধ্যমে কবিকে অভিনন্দিত করেছিলেন- “তব নব প্রভাতের রক্তরাগখানি মধ্যাহ্নে জাগায় যেন জ্যোতির্ময়ী বাণী।”

তাঁর পরবর্তী কাব্য গ্রন্থাবলীর মধ্যে ‘হাসনাহেনা’ ‘খোশরোজ’ ’সাহারা’, ও ‘বুলবুলিস্তান’ ইত্যাদি কাব্যগুলি বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
অনুবাদক হিসেবে কবি গোলাম মোস্তফার বিশেষ খ্যাতির রয়েছে।‘ইখওয়ানুস সাফা’, ‘মুসাদ্দাস-ই-হালী’,- ‘কালাম-ই-ইকবাল’, ‘শিকওয়া’ ও ‘আল-কুরআন’ গ্রন্থগুলির অন্যতম।
কবি গোলাম মোস্তফার ‘বিশ্বনবী’ গ্রন্থটি একটি অনন্য সৃষ্টি।যা বাংলা ইসলামি সাহিত্যে এক অমর ও অক্ষয় কীর্তি।
জনপ্রিয় মিনা-রাজু কার্টুন স্রষ্টা মুস্তফা মনোয়ার কবির পুত্র এবং অস্কারজয়ী নাফিস বিন জাফর তার নাতি।

অমর সাহিত্য সাধক গোলাম মুস্তফা যশোর সাহিত্য সংঘ কর্তৃক কাব্যসুধাকর ও পাকিস্তান সরকার থেকে ১৯৬০ সনে সিতারা-ই-ইমতিয়াক উপাধি লাভ করেন।

কবি বাংলার রূপদেখে অমর হওয়ার অভিলাষ ব্যাক্ত করে কবিতায় লিখেছেন-
‘‘নিখিলের এত শোভা, এত রূপ, এত হাসি গান
ছাড়িয়া মরিতে মোর কভু নাহি চাহে মন প্রাণ।’’
তবুও চলে যেতে হয় এই নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে, সৃষ্টার ডাকে কবি ঢাকার শান্তিনগরের বাসায়(মুস্তফা মঞ্জিল) হটাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ১৩ অক্টোবর ১৯৬৪ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। আজকে এই মহান কবির প্রতি জানাই দোয়া শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।




কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.