জঘন্য ইতিহাস আর কথিত শিয়া বিপ্লব সম্পর্কে জানতে পড়ুন ‘ইরানী ইনকেলাব: ইমাম খোমেনী ও শিয়া মতবাদ’
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক: ১৯৭৯
সালে ইমাম (!) আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইরানে ‘পাহলবী’
রাজবংশের বিরুদ্ধে সংগঠিত বিপ্লব কোনো ইসলামি বিপ্লব ছিল না, এটা
নিঃসন্দেহে শিয়া বিপ্লব ছিল। আসলে ইরানের এ বিপ্লব যে নির্ভেজাল শিয়া
বিপ্লব এবং বিপ্লবের প্রধান নেতৃপুরুষ ইমাম (!) খোমেনী যে দ্বাদশ ইমামপন্থী
শিয়ামতবাদেরই একজন বলিষ্ঠ অনুসারি ও প্রবক্তা এ তথ্য অনেকেরই জানা আছে।
শিয়াদের অনেকগুলো উপদল রয়েছে তার মধ্যে সবচে’ নিকৃষ্ট হচ্ছে
বর্তমান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদের অনুসারি ‘নুসাইরি’ সমপ্রদায়, ইরাকের
‘রাফেজী’ আর ‘আলাবী’ সম্প্রদায় আর ইরানের ‘ইছনা আশারিয়া’ সম্প্রদায়।
:
বর্তমান শিয়া ইরান ১২ জন ইমামপন্থী, তাদের মতে ১১ জন ইমাম গত হয়েছে আর একজন বাকি আছে যিনি এসে তাদেরকে সারা দুনিয়াতে রাজত্ব করার ক্ষমতা দিবেন। তারা তাদের ইমামদেরকে নিষ্পাপ বলে মনে করেন, এমনকি ইমামদের মর্যাদা নৈকট্যশীল ফেরেশতা এবং নবী-রাসূলদের ঊর্ধ্বেও মনে করেন। শুধু তাই নয়, দু-তিন জন সাহাবী বাদে জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সাহাবায়ে কেরামসহ বাকি সবাইকে তারা মুনাফিক, মুরতাদ, ক্ষমতালোভী এমনকি কাফেরও মনে করে। (নাউযুবিল্লাহ)
:
তাদের জঘন্য ইতিহাস আর কথিত শিয়া বিপ্লব সম্পর্কে জানতে পড়ুন ‘ইরানী ইনকেলাব: ইমাম খোমেনী ও শিয়া মতবাদ’ বইটি।
:
বর্তমান বিশ্বে ইরান একটা অত্যন্ত কৌশলগত রাষ্ট্র। তাদেরকে পুরোপুরি সমর্থন না করলেও তাদের আম্রিকা-ইসরাইল বিরুধি কর্মকান্ডকে অবশ্যই সমর্থন করি। সেই সাথে ঘৃণা করি রাশিয়ার সাথে পরামর্শক্রমে সিরিয়ার ফেরাউন কাফের আসাদকে সব ধরনের সাহায্য-সহযোগীতার জন্য। বর্তমানে বহুল আলোচিত একটা ঘটনা হচ্ছে আমেরিকা-ইরান বিরুধ, অনেকে মনে করছে অতি শীঘ্রই যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে দুই বৈরী দেশের মধ্যে। ইরান-আমেরিকর যুদ্ধ হলে গোঁটা মধ্যপ্রাচ্যের চিত্রই পাল্টে যাবে, এর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে সারা বিশ্বে। কিন্তু ধুর্ত শিয়া আর ক্রুসেডারদের মধ্যে যুদ্ধ হওয়া আকাশ-কুসুম চিন্তা করার মতো।
বাশির আহমাদ
লিখেছেন
:
বর্তমান শিয়া ইরান ১২ জন ইমামপন্থী, তাদের মতে ১১ জন ইমাম গত হয়েছে আর একজন বাকি আছে যিনি এসে তাদেরকে সারা দুনিয়াতে রাজত্ব করার ক্ষমতা দিবেন। তারা তাদের ইমামদেরকে নিষ্পাপ বলে মনে করেন, এমনকি ইমামদের মর্যাদা নৈকট্যশীল ফেরেশতা এবং নবী-রাসূলদের ঊর্ধ্বেও মনে করেন। শুধু তাই নয়, দু-তিন জন সাহাবী বাদে জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সাহাবায়ে কেরামসহ বাকি সবাইকে তারা মুনাফিক, মুরতাদ, ক্ষমতালোভী এমনকি কাফেরও মনে করে। (নাউযুবিল্লাহ)
:
তাদের জঘন্য ইতিহাস আর কথিত শিয়া বিপ্লব সম্পর্কে জানতে পড়ুন ‘ইরানী ইনকেলাব: ইমাম খোমেনী ও শিয়া মতবাদ’ বইটি।
:
বর্তমান বিশ্বে ইরান একটা অত্যন্ত কৌশলগত রাষ্ট্র। তাদেরকে পুরোপুরি সমর্থন না করলেও তাদের আম্রিকা-ইসরাইল বিরুধি কর্মকান্ডকে অবশ্যই সমর্থন করি। সেই সাথে ঘৃণা করি রাশিয়ার সাথে পরামর্শক্রমে সিরিয়ার ফেরাউন কাফের আসাদকে সব ধরনের সাহায্য-সহযোগীতার জন্য। বর্তমানে বহুল আলোচিত একটা ঘটনা হচ্ছে আমেরিকা-ইরান বিরুধ, অনেকে মনে করছে অতি শীঘ্রই যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে দুই বৈরী দেশের মধ্যে। ইরান-আমেরিকর যুদ্ধ হলে গোঁটা মধ্যপ্রাচ্যের চিত্রই পাল্টে যাবে, এর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে সারা বিশ্বে। কিন্তু ধুর্ত শিয়া আর ক্রুসেডারদের মধ্যে যুদ্ধ হওয়া আকাশ-কুসুম চিন্তা করার মতো।
বাশির আহমাদ
লিখেছেন

কোন মন্তব্য নেই